Cleanliness
মো: নূর হোসেন
মোঃ নুর হোসেন
সভাপতি, বরুনাছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়
শিক্ষা মানুষের জীবনের মূল আলো। একটি আলোকিত সমাজ গড়তে হলে আমাদের প্রতিটি শিশুকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই বরুনাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষা ও মানবিকতার অপূর্ব সমন্বয়ে একটি মেধাবী, নৈতিক ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই বিদ্যালয় শুধু পাঠদানের একটি স্থান নয়—এটি একটি মূল্যবোধনির্ভর শিক্ষায়তন, যেখানে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, সততা, শৃঙ্খলা এবং মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটে। আমি গর্বিত যে, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সম্মিলিত সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের পথে।
সভাপতি হিসেবে আমার দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধ নয়—আমি বিশ্বাস করি, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধের একটি সেতুবন্ধন সৃষ্টি করতে হয়। আমি এই সেতুবন্ধন গড়ে তুলতেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সকল শিক্ষক, কর্মচারী, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের, যাঁদের অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও সহযোগিতায় এই প্রতিষ্ঠান এগিয়ে চলেছে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলি একটি উদার, সুশৃঙ্খল ও মানবিক বাংলাদেশ—বরুনাছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়–এর শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই।
শুভেচ্ছান্তে,
মোঃ নুর হোসেন
সভাপতি, বরুনাছড়ি উচ্চ জোন বিদ্যালয়
রতন বড়ুয়া
আমাদের স্কুলে স্বাগতম।
বিদ্যালয়ের পরিচিতি ও ইতিহাস
বরনাছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয় একটি গ্রামীণ, মনোরম ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা অবস্থিত রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলার সুবলং ইউনিয়নের বরনাছড়ি এলাকায়। বিদ্যালয়টি ১৯৯৫ সালে স্থানীয় জনগণের আন্তরিক উদ্যোগ, শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধতার ফলস্বরূপ প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে বিদ্যালয়টি সীমিত অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েই যাত্রা শুরু করে। ধাপে ধাপে এটি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার একটি মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। শিক্ষার মান, শৃঙ্খলা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে বিদ্যালয়টি বরাবরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে পাঁচজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক, একজন অননুমোদিত শিক্ষক এবং ছয়জন কর্মচারী আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন বড়ুয়া ২০১৭ সাল থেকে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বিদ্যালয়টি শুধু একাডেমিক শিক্ষায় নয়, সহ-শিক্ষা কার্যক্রম যেমন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া, বিতর্ক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণ করে থাকে, যা শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে আজ অবধি বিদ্যালয়টি বহু শিক্ষার্থীর জীবনে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও এই প্রতিষ্ঠান যেন আরও শিক্ষিত, সচেতন ও নৈতিক মানবসম্পদ গড়তে পারে — এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহঃ | শুক্র | শনি |
|---|

